জোছনা রাত এবং “সে”

জোছনা রাত । ঠিক নীল নয় , কুয়াশায় ঢাকা আবছা আলোয় আলোকিত পরিবেশ । মোটামোটি সবকিছুই স্পষ্ট । অদূরে ল্যাম্পপোস্টের সোডিয়াম আলোর নিচে কে যেন একজন দাড়িয়ে আছে । কেউ একজন অপেক্ষায় থাকবে কথা দিয়েছিল অনেক আগে । সেদিনও এরকম একটা জোছনা রাত ছিল । অনেক কথা হয়েছিল দুজনাতে ।
হাতের সিগারেটটা ছুড়ে ফেলে এগিয়ে গেলাম তার দিকে । চাদরে ঢাকা অবয়বটা স্পষ্ট হল । তবে কি সে এসেছে আবার? চেহারাটা এতো বদলে গেছে কেন ?
ঘোলাটে আলোয় চাদরের নিচের শাড়িটার রঙ বুঝা গেলনা । মুহূর্তে চাদরের ভেতর থেকে হাতটা বের করল সে ।
হাতে তার চকচকে একটি ছুরি । আমার হৃদয়ের সব অনুভূতিকে এলোমেলো করে দিয়ে সে বলল – যা আছে দিয়া দে !!!!!!!!

Advertisements

ভিকি ডোনার আর রাজা-রানী

এক রাজ্য ,এক রাজা ,এক রানী । মন্ত্রী সেনাপতি সৈন্য হাতি ঘোড়া সব আছে এই রাজ্যে । তবু রাজা রানীর মনে শান্তি নেই । কারও মনে শান্তি নেই।
কারন—– রাজা রানীর বিবাহের পর পাঁচ বছর পেরিয়ে গিয়েছে । কিন্তু রানীর কোলজুড়ে কোন সন্তান নেই । তবে এই রাজ্যের ভবিষ্যৎ কি ?
রাজ বৈদ্যের কাছে খবর দেওয়া হইল । উনি সুদূর হিমালয়ের পাদদেশ থেকে ব্যাক্তিগত জেটপ্লেনে চেপে হাজির হলেন ।
কি সমস্যা ? জিজ্ঞাসিলেন তিনি ।
রাজা কহিলেন – গুরুদেব আমাদের সব আছে, কিন্তু কোন সন্তান নেই ।
গুরুদেব কহিলেন- ওরে বলদ, আমি বুড়া মানুষ । আমার তাতে কি করার আছে । তুই তাড়াতাড়ি ” ভিকি ডোনার ” কে খবর দে ।
যতোসব বেআক্কেল নিয়ে আমার মরণ ।